গেমিং হওয়া উচিত আনন্দের উৎস, চাপের নয়। dd89-এ আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি খেলোয়াড় নিজের সীমা জেনে, মাথা ঠান্ডা রেখে খেলুক। সেজন্যই আমরা এমন সব টুল ও সহায়তা দিই যা আপনাকে সবসময় নিয়ন্ত্রণে রাখে।
দ ায়িত্বশীল খেলা মানে হলো গেমিংকে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা — এটি বিনোদনের একটি মাধ্যম, আয়ের উৎস নয়। dd89-এ আমরা চাই প্রতিটি খেলোয়াড় পরিপূর্ণ আনন্দের সাথে খেলুক এবং কখনো যেন গেমিং তার জীবনে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে। দায়িত্বশীল খেলার অর্থ হলো নিজের বাজেট জানা, সময়সীমা মানা এবং প্রয়োজনে সাহায্য চাওয়ার সাহস রাখা।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। তরুণ থেকে প্রবীণ, অনেকেই এখন বিনোদনের জন্য অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন। কিন্তু যেকোনো বিনোদনের মতো গেমিংয়েও মাত্রাজ্ঞান থাকা দরকার। অতিরিক্ত গেমিং পারিবারিক, আর্থিক ও মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে। dd89 সেই বিষয়ে সচেতন এবং আমরা প্রতিটি খেলোয়াড়ের সুরক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করি।
আমাদের দায়িত্বশীল খেলার নীতি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটি আমাদের ব্র্যান্ডের মূল ভিত্তি। আমরা প্রযুক্তি, মানবিক সহায়তা এবং কঠোর নীতির মাধ্যমে নিশ্চিত করি যে dd89 সবসময় একটি নিরাপদ ও সুস্থ গেমিং পরিবেশ হয়ে থাকে।
মনে রাখুন: গেমিং সবসময় আনন্দের জন্য হওয়া উচিত। যদি কখনো মনে হয় গেমিং আপনার জীবনের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে, তাহলে dd89-এর সহায়তা টিম সবসময় আপনার পাশে আছে।
dd89 সম্পূর্ণরূপে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম। আমরা কোনো অবস্থাতেই ১৮ বছরের কম বয়সী কাউকে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে দিই না। নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক এবং প্রয়োজনে সরকারি পরিচয়পত্রের মাধ্যমে যাচাই করা হয়।
অভিভাবকদের প্রতি: আপনার ডিভাইসে যদি ছোটরা থাকে, তাহলে অবশ্যই পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত রাখুন এবং নিশ্চিত করুন যে তারা dd89 অ্যাক্সেস করতে না পারে।
গেমিং সমস্যায় পরিণত হওয়ার আগেই লক্ষণগুলো চেনা জরুরি। নিচের বিষয়গুলো যদি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য মনে হয়, তাহলে হয়তো সাহায্যের প্রয়োজন আছে:
হারানো টাকা ফেরত পেতে আরও বাজি ধরার তাড়না অনুভব করছেন।
কতক্ষণ খেলছেন তা বুঝতে পারছেন না বা নির্ধারিত সময়ের বেশি খেলছেন।
পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কমিয়ে গেমিংকে প্রাধান্য দিচ্ছেন।
হারলে অতিরিক্ত রাগ, হতাশা বা উদ্বেগ অনুভব করছেন।
পরিবার বা কাছের মানুষদের কাছে গেমিং কার্যক্রম লুকাচ্ছেন।
কাজ, পড়াশোনা বা স্বাস্থ্যের উপর গেমিং নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
জানুন: উপরের এক বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে আমাদের সহায়তা টিমের সাথে যোগাযোগ করুন। সাহায্য চাওয়া দুর্বলতার লক্ষণ নয়, বরং এটি সাহসের প্রকাশ।
আমরা এমন সব টুল তৈরি করেছি যা আপনাকে সবসময় গেমিংয়ের নিয়ন্ত্রণে রাখে। এই টুলগুলো যেকোনো সময় অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে ব্যবহার করা যায়।
প্রতিদিন, সপ্তাহে বা মাসে কতটুকু ডিপোজিট করবেন তার সীমা আগেই ঠিক করে রাখুন। একবার সীমা নির্ধারণ করলে তা সাথে সাথে কার্যকর হয়। সীমা বাড়াতে হলে ২৪ ঘণ্টার বিরতি প্রয়োজন।
কত মিনিট বা ঘণ্টা একটানা খেলবেন তা নির্ধারণ করুন। সময় শেষ হলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক করবে। এটি সময়জ্ঞান ধরে রাখতে এবং বিরতি নিতে সাহায্য করে।
নিজেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্ল্যাটফর্ম থেকে বিরত রাখতে স্ব-বর্জন চালু করুন। ৭ দিন থেকে শুরু করে স্থায়ীভাবে বর্জনের সুযোগ রয়েছে। সক্রিয় থাকাকালীন এটি বাতিল করা যাবে না।
একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি হারলে সেশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এই টুলটি আর্থিক ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর একটি।
যদি মনে হয় একটু বিরতি দরকার, তাহলে ২৪ ঘণ্টা থেকে ৩০ দিনের কুলিং-অফ পিরিয়ড সেট করুন। এই সময়ে লগইন করা যাবে না, তবে আগের ব্যালেন্স ও ইতিহাস সংরক্ষিত থাকবে।
প্রতি ৩০, ৬০ বা ৯০ মিনিট পর পপ-আপ নোটিফিকেশন দেখাবে যেখানে আপনি কতক্ষণ খেলেছেন এবং কত জিতেছেন বা হেরেছেন তার সারসংক্ষেপ থাকবে।
আপনার dd89 অ্যাকাউন্টে লগইন করে প্রোফাইল মেনুতে যান। সেখানে "দায়িত্বশীল খেলা" বিভাগটি খুঁজে পাবেন।
ডিপোজিট লিমিট, সেশন টাইম, লস লিমিট বা স্ব-বর্জন — আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী টুল বেছে নিন।
নির্দিষ্ট পরিমাণ বা সময় ইনপুট করুন এবং নিশ্চিত করুন। সীমা কমানো তাৎক্ষণিক, বাড়ানোর জন্য অপেক্ষার সময় রয়েছে।
কোনো সমস্যা হলে বা সেটিংস বুঝতে না পারলে আমাদের সাপোর্ট টিমকে সরাসরি জানান। তারা আপনাকে গাইড করবে।
একটি সুস্থ গেমিং অভ্যাস গড়ে তুলতে শুরু থেকেই কিছু নিয়ম মেনে চলা দরকার। এই অভ্যাসগুলো আপনাকে দীর্ঘ মেয়াদে আনন্দের সাথে গেমিং উপভোগ করতে সাহায্য করবে।
মানসিক অবসাদ, একাকীত্ব বা মানসিক চাপের সময় গেমিং সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। কিন্তু এটি স্থায়ী সমাধান নয়। বরং এই অবস্থায় অতিরিক্ত গেমিং সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
dd89 চায় আমাদের খেলোয়াড়রা মানসিকভাবে সুস্থ ও সুখী থাকুক। গেমিং যদি কখনো মানসিক চাপ মোকাবেলার একমাত্র উপায় হয়ে ওঠে, তাহলে পেশাদার সহায়তা নেওয়ার কথা ভাবুন।
পরামর্শ: যদি মনে হয় গেমিংয়ের বাইরে আনন্দ পাচ্ছেন না বা গেমিং ছাড়া অস্থির লাগছে, তাহলে এটি গুরুত্বের সাথে নিন এবং আমাদের সহায়তা দলকে জানান।